ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৫৬০ টন চাল ‘উধাও’: খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কালোবাজারির অভিযোগ

নেত্রকোণা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৫৭ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের জন্য বরাদ্দকৃত ৫৬০ মেট্রিক টন চাল কালোবাজারে বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (খাদ্য কর্মকর্তা) কাওসার আহমেদের বিরুদ্ধে। প্রতি মাসে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৯ হাজার ৪১৮ জন সুবিধাভোগীর কাছে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল পৌঁছানোর কথা থাকলেও অধিকাংশ উপকারভোগীই জানান, তাঁরা কোনো চাল পাননি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডিলারদের না জানিয়ে বরাদ্দকৃত সব চাল গোপনে বিক্রি করে দেওয়া হয়। বর্তমান বাজারদরে এই চালের মূল্য ২ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুবিধাভোগীরা অভিযোগ দাখিল করলে বিষয়টি নজরে আসে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমদাদুল হক তালুকদার অভিযোগের ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু করেছেন। তিনি বলেন, ‘তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ প্রশাসন সূত্র জানায়, শুনানির এক পর্যায়ে খাদ্য কর্মকর্তাকে কড়া সতর্কও করা হয়েছে।

যোগাযোগ করলে খাদ্য কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ আগস্ট মাসের চাল বিতরণে “কিছুটা অনিয়ম” হওয়ার কথা স্বীকার করলেও সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। বরাদ্দ সম্পর্কে অবগত না থাকা কয়েকজন ডিলার জানান, তাদের অজান্তে চাল বিক্রি হওয়া বড় ধরনের অনিয়ম। তারা দাবি করেন, ডিলারশিপ নবায়নের নামে খাদ্য কর্মকর্তা প্রতিজনের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন।

পুরো ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কেন্দুয়ায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৫৬০ টন চাল ‘উধাও’: খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কালোবাজারির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের জন্য বরাদ্দকৃত ৫৬০ মেট্রিক টন চাল কালোবাজারে বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (খাদ্য কর্মকর্তা) কাওসার আহমেদের বিরুদ্ধে। প্রতি মাসে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৯ হাজার ৪১৮ জন সুবিধাভোগীর কাছে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল পৌঁছানোর কথা থাকলেও অধিকাংশ উপকারভোগীই জানান, তাঁরা কোনো চাল পাননি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডিলারদের না জানিয়ে বরাদ্দকৃত সব চাল গোপনে বিক্রি করে দেওয়া হয়। বর্তমান বাজারদরে এই চালের মূল্য ২ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুবিধাভোগীরা অভিযোগ দাখিল করলে বিষয়টি নজরে আসে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমদাদুল হক তালুকদার অভিযোগের ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু করেছেন। তিনি বলেন, ‘তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ প্রশাসন সূত্র জানায়, শুনানির এক পর্যায়ে খাদ্য কর্মকর্তাকে কড়া সতর্কও করা হয়েছে।

যোগাযোগ করলে খাদ্য কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ আগস্ট মাসের চাল বিতরণে “কিছুটা অনিয়ম” হওয়ার কথা স্বীকার করলেও সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। বরাদ্দ সম্পর্কে অবগত না থাকা কয়েকজন ডিলার জানান, তাদের অজান্তে চাল বিক্রি হওয়া বড় ধরনের অনিয়ম। তারা দাবি করেন, ডিলারশিপ নবায়নের নামে খাদ্য কর্মকর্তা প্রতিজনের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন।

পুরো ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।