ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরিশালে নদীরগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে প্রধান সড়ক, তিন জেলার লক্ষাধিক মানুষের ভাগান্তিতে

জামাল কাড়াল, বরিশাল
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৫৩ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

বরিশালের উজিরপুরে কচা নদীর ভাঙনে হারতা–সাতলা প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে বরিশাল, গোপালগঞ্জ ও খুলনা তিন জেলার লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। হঠাৎ সড়কবিলীন হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষক, মৎস্যচাষি ও সাধারণ পথচারীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনের কবলে থাকা সড়কটি হঠাৎ করেই নদীতে তলিয়ে গেছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন উজিরপুর, কোটালিপাড়া ও খুলনার বিভিন্ন এলাকার মানুষ যাতায়াত করেন।

স্থানীয় কৃষক ও মৎস্যচাষিরা জানান, সড়কটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেলে শতকোটি টাকার মাছ ও ধানের ক্ষতি হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন ও স্রোতের তীব্রতার কারণেই সড়কটি দ্রুত ভাঙনের মুখে পড়ে। সড়কের আওতায় রয়েছে একাধিক স্কুল-মাদ্রাসা, বাজার, মৎস্য ঘের ও ধান চাষের বিস্তীর্ণ জমি।

সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, এই সড়ক দিয়ে তিন জেলার মানুষ যাতায়াত করে। ব্যবসায়ী ও কৃষকের কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। সড়কটি সম্পূর্ণ ভেঙে গেলে বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে সবাই।
উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা জানান, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বরিশালে নদীরগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে প্রধান সড়ক, তিন জেলার লক্ষাধিক মানুষের ভাগান্তিতে

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

বরিশালের উজিরপুরে কচা নদীর ভাঙনে হারতা–সাতলা প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে বরিশাল, গোপালগঞ্জ ও খুলনা তিন জেলার লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। হঠাৎ সড়কবিলীন হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষক, মৎস্যচাষি ও সাধারণ পথচারীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনের কবলে থাকা সড়কটি হঠাৎ করেই নদীতে তলিয়ে গেছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন উজিরপুর, কোটালিপাড়া ও খুলনার বিভিন্ন এলাকার মানুষ যাতায়াত করেন।

স্থানীয় কৃষক ও মৎস্যচাষিরা জানান, সড়কটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেলে শতকোটি টাকার মাছ ও ধানের ক্ষতি হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন ও স্রোতের তীব্রতার কারণেই সড়কটি দ্রুত ভাঙনের মুখে পড়ে। সড়কের আওতায় রয়েছে একাধিক স্কুল-মাদ্রাসা, বাজার, মৎস্য ঘের ও ধান চাষের বিস্তীর্ণ জমি।

সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, এই সড়ক দিয়ে তিন জেলার মানুষ যাতায়াত করে। ব্যবসায়ী ও কৃষকের কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। সড়কটি সম্পূর্ণ ভেঙে গেলে বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে সবাই।
উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা জানান, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে।