ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আধিপত্যের দ্বন্দ্বে রক্তপাত: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবককে তুলে নিয়ে গুলি

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৯ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কান্দিপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চলমান বিরোধের জেরে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাদ্দাম হোসেন (৩২) ওই এলাকার মস্তু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দিলীপ গ্রুপ ও লায়ন শাকিল গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে, যাতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পরবর্তী সময়ে বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। রাত গভীর হলে সাদ্দামকে বাড়ি থেকে বের হতে বলা হয়, এরপর কিছুক্ষণ পর খবর আসে, তিনি রাস্তায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দিলীপ ও তার অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে সাদ্দামকে ডেকে নিয়ে যান। পরে প্রতিপক্ষকে দায়ী করার উদ্দেশ্যে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দেলোয়ার হোসেন দিলীপ। তিনি দাবি করেন, সাদ্দামকে আমি বাড়ি থেকে ডেকে আনিনি। সে আমার সঙ্গেই ছিল। রাতে লায়ন শাকিলের লোকজন আমাদের দিকে গুলি ছোড়ে, তখন সাদ্দাম গুলিবিদ্ধ হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, কান্দিপাড়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের পুরোনো বিরোধ থেকেই এ হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্তে পুলিশ মাঠে নেমেছে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আধিপত্যের দ্বন্দ্বে রক্তপাত: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবককে তুলে নিয়ে গুলি

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কান্দিপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চলমান বিরোধের জেরে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাদ্দাম হোসেন (৩২) ওই এলাকার মস্তু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দিলীপ গ্রুপ ও লায়ন শাকিল গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে, যাতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পরবর্তী সময়ে বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। রাত গভীর হলে সাদ্দামকে বাড়ি থেকে বের হতে বলা হয়, এরপর কিছুক্ষণ পর খবর আসে, তিনি রাস্তায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দিলীপ ও তার অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে সাদ্দামকে ডেকে নিয়ে যান। পরে প্রতিপক্ষকে দায়ী করার উদ্দেশ্যে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দেলোয়ার হোসেন দিলীপ। তিনি দাবি করেন, সাদ্দামকে আমি বাড়ি থেকে ডেকে আনিনি। সে আমার সঙ্গেই ছিল। রাতে লায়ন শাকিলের লোকজন আমাদের দিকে গুলি ছোড়ে, তখন সাদ্দাম গুলিবিদ্ধ হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, কান্দিপাড়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের পুরোনো বিরোধ থেকেই এ হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্তে পুলিশ মাঠে নেমেছে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।