ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে প্রান্তিক শিশু-কিশোরদের শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য ও ডিজিটাল সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা সভা

মোঃ জাফর আহমেদ, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি 
  • আপডেট সময় : ০৫:০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৬২ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামে প্রান্তিক শিশু-কিশোরদের শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও ডিজিটাল সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘সমতার আলো’ প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় সংশ্লিষ্ট খাতের সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষা কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক শিক্ষা সহায়তা প্রদান, দরিদ্র ও প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ইংরেজি ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ আয়োজন, কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশু-কিশোরদের মানসম্মত শিক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বি. এম. কুদরত-এ-খুদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রব, চিলমারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু সাইদ মো. আব্দুল ওয়াহিদ, টেরে ডেস হোমস ইটালিয়ার প্রোগ্রাম ম্যানেজার বেনজির শাহ শোভন, ‘সমতার আলো’ প্রকল্পের সমন্বয়ক হিরন্ময় সরখেল প্রমুখ।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বি. এম. কুদরত-এ-খুদা অনুষ্ঠানে বলেন, সমতার আলো প্রকল্প নিঃসন্দেহে একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ। বর্তমান সময়ের বিভিন্ন সামাজিক ও ডিজিটাল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষা সহায়তা, ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে প্রান্তিক এলাকার শিশু-কিশোরদের জন্য এ ধরনের প্রকল্প অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল যুগে শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতনতা বাড়াতে পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষা ও ডিজিটাল সুরক্ষাকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে নিতে নানা পরামর্শ প্রদান করেন। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানান, আগামী দিনে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে এই উদ্যোগের আওতায় আনা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামে প্রান্তিক শিশু-কিশোরদের শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য ও ডিজিটাল সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা সভা

আপডেট সময় : ০৫:০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

কুড়িগ্রামে প্রান্তিক শিশু-কিশোরদের শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও ডিজিটাল সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘সমতার আলো’ প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় সংশ্লিষ্ট খাতের সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষা কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক শিক্ষা সহায়তা প্রদান, দরিদ্র ও প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ইংরেজি ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ আয়োজন, কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশু-কিশোরদের মানসম্মত শিক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বি. এম. কুদরত-এ-খুদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রব, চিলমারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু সাইদ মো. আব্দুল ওয়াহিদ, টেরে ডেস হোমস ইটালিয়ার প্রোগ্রাম ম্যানেজার বেনজির শাহ শোভন, ‘সমতার আলো’ প্রকল্পের সমন্বয়ক হিরন্ময় সরখেল প্রমুখ।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বি. এম. কুদরত-এ-খুদা অনুষ্ঠানে বলেন, সমতার আলো প্রকল্প নিঃসন্দেহে একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ। বর্তমান সময়ের বিভিন্ন সামাজিক ও ডিজিটাল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষা সহায়তা, ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে প্রান্তিক এলাকার শিশু-কিশোরদের জন্য এ ধরনের প্রকল্প অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল যুগে শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতনতা বাড়াতে পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষা ও ডিজিটাল সুরক্ষাকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে নিতে নানা পরামর্শ প্রদান করেন। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানান, আগামী দিনে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে এই উদ্যোগের আওতায় আনা হবে।